বুধবার, ৬ জুলাই ২০২২ইংরেজী, ২২ আষাঢ় ১৪২৯ বাংলা ENG

শিরোনাম : তাহিরপুরে প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ, সার বিতরণ বিজ্ঞান লেখক অনন্ত হত্যা: ভারতে গ্রেফতার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ফয়সাল সুনামগঞ্জে বানের পানিতে স্বপ্নের সলিল সমাধি কোম্পানীগঞ্জে ছিনতাই করে পালানোর সময় যুবক আটক এই ভয়াবহ বন্যায় তারা জনগনের পাশে নেই আ'লীগ : লুনা সীমাহীন দুর্ভোগে বড়লেখার বানভাসিরা ভয় নেই প্রধানমন্ত্রী পাশে আছেন: সুনামগঞ্জে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল ধোপাদিঘীরপার ওয়াকওয়ের বৈদ্যুতিক কাজে বাধা, সিসিক ও কারা কর্তৃপক্ষের চাপা ক্ষোভ না ফেরার দেশে গায়ে আগুন দেওয়া সেই ব্যবসায়ী, টাকা পাওনাই থাকল হেনোলাক্স কোম্পানির কাছে আবার ভারী বর্ষণ ও বন্যার পূর্বাভাস চলতি মাসেই

কুশিয়ারার দুই কূল উপচে মৌলভীবাজারের ৫০ গ্রামে পানি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ::

২০২২-০৬-১৯ ১২:০৯:৩০ /

গেল দুই সপ্তাহের লাগাতার অতিবৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা ঢলে কুশিয়ারার দুই কূল উপচে পানি বাড়ি ঘরে প্রবেশ করেছে। গ্রামঞ্চলের ঘর-বাড়ি ও সড়ক পথ থেকে পানির নীচে। জেলার সদর ও রাজনগর উপজেলার নদী তীরবর্তী প্রায় ৫০টি গ্রামের ১ লাখ মানুষ রেহাই পাচ্ছেন না ভয়াল এই বন্যা থেকে। রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ ইউনিয়নের বকশিপুর,সিক্কাগাঁও,কামালপুর, আমনপুর,সুরিখাল,জুগিকোনা, কেশরপাড়া,সুনামপুর,উমরপুর,কান্দিগাঁও,জোড়াপুর,গালিমপুর,রামপুর ও ফতেপুর ইউনিয়নের,নোয়াগাঁও,বিলবাড়ি,হামিদপুর,বেড়কুড়ি,শাহাপুর,জাহিদপুর,আব্দুল্লাহপুর,ইসলমাপুরসহ সদর উপজেলার মনূমুখ ইউনিয়নের আরও বেশ কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। নদী পাড়ের এসব এলাকার দিন মজুর ও মধ্যবৃত্ত মানুষ মানেবতর জীবন যাপন করছেন। কিছু কিছু এলাকায় নদীর পানি একটু কমার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরে ডায়রিয়া,আমাশা, জ্বর-সর্দি ও হাতে-পায়ে ঘাঁসহ নানা রোগ দেখা দিয়েছে। এসব সুনামপুর গ্রামের সিপ্রা বেগম বলেন, “আমি কুশিয়ারা নদীর পাড়ে থাকি, বন্যায় আমার ঘর ও রাস্তা-ঘাট ভাসাইয়া লইয়া যারগি। আমি গরীব মানুষ খুব অভাবে আছি। খাইতে পারি না। বের হতেও পারি না”। একই ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের আবিরুন বিবি, ঝর্ণা,ছাবুলি,শারমিন,জেলি, লিজা,বানেছা ও হুসনা বেগম বলেন, নদী পাড়ের আমরা সবাই পানি বন্দি। বাড়ি থেকে নৌকা নিয়ে ওয়াপধায় আসি। তারা বলেন, পানির সাথে থাকতে থাকতে হাতে পায়ে ঘাঁ হয়েছে। আমাদের অনেকের পাতলা পায়খানা ও শরীরে জ্বর রয়েছে। গ্রামের আবিরুন বিবি আক্ষেপ করে বলেন, ৫ সন্তান নিয়ে এই বন্যায় বহু কষ্টে জীবন যাপন করছেন তিনি। একই গ্রামের নূর আহমদ বলেন, পরিবারে ৫ সদস্য নিয়ে তিনি মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তিনি মাছের ব্যবসা করেন। নিজের নৌকা না থাকায় ঘর থেকে বের হতে পারেন না। এদিকে বাঁধবাজার-খেয়াঘাটবাজার-চাঁদনীঘাট সড়কের হলদিগুল এলাকায় ওয়াপধা সড়কে নতুন করে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বাঁধ ভেঙ্গে কাউয়াদীঘি হাওরে কুশিয়ারার পানিতে জলমগ্ন হয়ে হাওর পাড়ের ৩০/৩৫টি গ্রাম প্লাবিত হতে পারে এমন আশঙ্কা করছেন জনসাধারণ। এছাড়াও সুরিখাল,যুগিকোনাসহ বেশ কটি এলাকায় পাইপের ভের দিয়ে দ্রুত পানি ঢুকছে কাউয়াদীঘিতে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এখানকার একাধিক লোকজন জানান, শুরুতে যদি এই পাইপ ও গর্ত বন্ধ করা না হয়, তবে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

এ জাতীয় আরো খবর

 সীমাহীন দুর্ভোগে বড়লেখার বানভাসিরা

সীমাহীন দুর্ভোগে বড়লেখার বানভাসিরা

জুড়ীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: লাখো মানুষ পানিবন্দি

জুড়ীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: লাখো মানুষ পানিবন্দি

সরকার যেকোনো দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে আছে: পরিবেশমন্ত্রী

সরকার যেকোনো দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে আছে: পরিবেশমন্ত্রী

বড়লেখায় টিলা ধসে নিহত ১, আহত ১০

বড়লেখায় টিলা ধসে নিহত ১, আহত ১০

কুশিয়ারার দুই কূল উপচে মৌলভীবাজারের ৫০ গ্রামে পানি

কুশিয়ারার দুই কূল উপচে মৌলভীবাজারের ৫০ গ্রামে পানি

মৌলভীবাজারে বন্যার পদধ্বনি

মৌলভীবাজারে বন্যার পদধ্বনি